ছেলেটা পারে বটে, ৪,৪,৪,৪,৪,৪,৪,৬,৬,৬,৬,৬,৬,৬ মেরে দলীপে নজির, বৈভবের রেকর্ডের দিনে ছোঁয়া হল না...
বৈভবের ব্যাটে ফের কামাল দলীপ ট্রফিতে এল ৭ টি চার, ৭ টি ছক্কা দিয়ে সাজানো ৯২ রানের ইনিংস, সেমিফাইনালে ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস৷ ১৯৮৮ সালে ১৫ বছর ২৩০ দিন বয়সে রনজি ট্রফির একটি ম্যাচে সচিন তেন্ডুলকার তাঁর প্রথম সেঞ্চুরিটি করেছিলেন। তবে সবচেয়ে কম বয়সে সেঞ্চুরি করা ভারতীয় খেলোয়াড়ের রেকর্ডটি ধ্রুব পান্ডোভের দখলে; তিনি ১৯৮৮ সালে মাত্র ১৪ বছর ২৯৩ দিন বয়সে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। মাত্র ১৫ বছর ১৫৭ দিন বয়সে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করে তিনি দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ভারতীয় হতে পারতেন। বর্তমানে এই রেকর্ডটি সচিন তেন্ডুলকরের দখলে রয়েছে। Vaibhav Sooryavanshi Half Century: বৈভব সূর্যবংশীর ব্যাটে বড় ধামাকা৷ দলীপ ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে রান পাননি বস বেবি৷ তবে সেমিফাইনালে ফের রান এল তাঁর ব্যাট থেকে৷ একদিন আগেই অধিনায়কত্বে তৎপরতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিয়ে মন কেড়েছিল ১৫-র কিশোর৷ এবার সোমবার ক্রিকেট ফ্যানরা নজর রেখেছিল যে বৈভব এবার ব্যাটে কী করে? সেখানে দ্রুত পঞ্চাশ করে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিল৷ Photo Courtesy – X Account Video Grab ৪২ বলে নিজের ৫০ রান করে নেয় বৈভব৷ এদিনের অর্ধশতরানের ইনিংস সাজানো পাঁচটা চার ও তিনটি ছক্কা দিয়ে৷ তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশী আরও একটি বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। অত্যন্ত কম বয়সে ঘরোয়া ক্রিকেটে সাড়া জাগানোর পাশাপাশি তিনি দলীপ ট্রফির ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। মাত্র ১৫ বছর ১৫৭ দিন বয়সে অর্ধশতক হাঁকিয়ে এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে তিনি রেকর্ড বইয়ে নিজের নাম লিখিয়েছেন। এর পাশাপাশি তিনি ৮০ রানও করে নেন ঝড়ের গতিতে৷ ছটা চার এবং ছটা ছক্কা মেরে নিজের হাতের সুখ করে নেন৷ বৈভব সূর্যবংশী ব্যাটে ঝড় তুলে ইতিমধ্যেই পুরো ক্রিকেট বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে। দুলীপ ট্রফির (Duleep Trophy) আগের ম্যাচে বল হাতেও কামাল করেছিল ১৫ বছরের বিস্ময় বালক। এবার সেমিফাইনাল ম্যাচে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হিসেবে বৈভব যা করল, তার জন্য আবারও চতুর্দিক থেকে তাঁর প্রশংসার জোয়ার বইছে। অধিনায়ক হিসেবে বৈভব প্রথম রিভিউ (Review) নেওয়ার আগে বোলার ও উইকেটকিপারের সঙ্গে আলোচনা করে। এর পর নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার মাত্র ৩ সেকেন্ড আগে রিভিউ নেওয়ার নির্দেশ দেয়। তাঁর এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় মারাত্মক ভাইরাল হচ্ছে। দলীপ ট্রফি ২০২৬-এর দুটি সেমিফাইনাল ম্যাচই আজ থেকে শুরু হয়েছে। প্রথম সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইস্ট জোন (East Zone) ও সেন্ট্রাল জোনের (Central Zone) মধ্যে। টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ইস্ট জোন। ইস্ট জোনের মূল অধিনায়ক ঈশান কিষাণ চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হলে প্রথম দিনেই দলের অধিনায়কত্বের ভার পড়ে বৈভব সূর্যবংশীর কাঁধে। উল্লেখ্য, বৈভবকে এই টুর্নামেন্টের জন্য ইস্ট জোন দলের সহ-অধিনায়ক নির্বাচিত করা হয়েছিল। মুকেশ কুমারের করা ৪০তম ওভারের দ্বিতীয় বল অফ স্টাম্প লাইনে ছিল, যা সেন্ট্রাল জোনের ব্যাটার আরিয়ান জুয়ালকে পরাস্ত করে। ঈশান কিষাণের জায়গায় উইকেটের পেছনে দাঁড়ানো কুমার কুশাগ্ৰ ক্যাচ ধরে জোরালো আবেদন জানালেও অন-ফিল্ড আম্পায়ার আউট দিতে অস্বীকার করেন। স্লিপে দাঁড়ানো ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক বৈভব সূর্যবংশী নিশ্চিত ছিলেন যে বল ব্যাটে লেগেছে, তবুও তাড়াহুড়ো না করে তিনি দ্রুত বোলার ও উইকেটরক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করে নেন। আম্পায়ার সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (DRS) নেওয়ার সময়সীমা শেষ হতে যখন মাত্র ৩ সেকেন্ড বাকি, ঠিক তখনই বৈভব রিভিউয়ের সংকেত দেন।
2026-08-31T09:35:30Z